Thursday , July 23 2026
Breaking News
স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে তরুণ প্রজন্মের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ অপরিহার্য: মো. মোস্তাক মিয়া

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে তরুণ প্রজন্মের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ অপরিহার্য: মো. মোস্তাক মিয়া

একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার কোনো বিকল্প নেই। সম্প্রতি বিভিন্ন শিক্ষামূলক সেমিনারে এই মত ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারক ও বিশেষজ্ঞ মো. মোস্তাক মিয়া। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে কেবল পুঁথিগত বিদ্যা অর্জন করলেই চলবে না, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), রোবোটিক্স, ডাটা অ্যানালাইসিস এবং সাইবার নিরাপত্তার মতো উদীয়মান প্রযুক্তিগুলোতে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য।

বর্তমান সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও স্মার্ট দেশ গড়ার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তার মূল চালিকাশক্তি হবে আজকের শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্ম। মো. মোস্তাক মিয়া মনে করেন, যদি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে বৈশ্বিক মানদণ্ডে উন্নীত করা না যায়, তবে শ্রমবাজারে দেশীয় শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি হাতে-কলমে প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদে প্রযুক্তির সুফল পৌঁছে দিতে ডিজিটাল ল্যাবগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রযুক্তিজ্ঞান সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বিশ্বায়নের এই যুগে তথ্যের সহজলভ্যতা থাকলেও সঠিক ও সৃজনশীল কাজে প্রযুক্তির ব্যবহার এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। মো. মোস্তাক মিয়া উল্লেখ করেন যে, শিক্ষার্থীদের কেবল ভোক্তা হিসেবে নয়, বরং উদ্ভাবক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। নতুন নতুন স্টার্টআপ বা সৃজনশীল প্রযুক্তি সেবা তৈরির মানসিকতা তরুণদের মধ্যে জাগ্রত করতে পারলে বাংলাদেশ প্রযুক্তি খাতে বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে। তিনি অভিভাবক ও শিক্ষকদের পরামর্শ দেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তির ইতিবাচক ও কল্যাণকর ব্যবহারে উৎসাহিত করতে, যাতে তারা ইন্টারনেটের অপব্যবহার এড়িয়ে নিজের মেধার সঠিক বিকাশে সক্ষম হয়।

পরিশেষে, ডিজিটাল বৈষম্য দূর করে প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত সুবিধা প্রদানের ওপর তিনি বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে দেশজুড়ে যে আইসিটি অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে, তার সুফল প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে পারলে স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নের পথ আরও সুগম হবে। জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসারে কোনো আপস নয়, বরং সর্বাত্মক বিনিয়োগ প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এছাড়াও

ডিজিটাল লেনদেনে সচেতনতা বৃদ্ধি: ‘বাংলা কিউআর’ রিলস প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল বাংলাদেশ ব্যাংক

ডিজিটাল লেনদেনে সচেতনতা বৃদ্ধি: ‘বাংলা কিউআর’ রিলস প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল বাংলাদেশ ব্যাংক

দেশের আর্থিক খাতে ডিজিটাল রূপান্তর এবং ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যকে আরও বেগবান করতে বিশেষ উদ্যোগ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *