দেশের বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও সংস্কৃতিকর্মী মোহন রায়হান দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেছেন যে, কোনো ধরনের হুমকি, দমনপীড়ন কিংবা ভয়ভীতি তাকে তার সৃজনশীল সাহিত্যচর্চা থেকে বিরত রাখতে পারবে না। শত প্রতিকূলতা ও সেন্সরশিপের শঙ্কা সত্ত্বেও তিনি সত্য ও সুন্দরের পক্ষে নিজের লেখা চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। সাম্প্রতিককালে শিল্প-সাহিত্য ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে সৃষ্ট নানা আলোচনা-সমালোচনার প্রেক্ষাপটে তার এই অবস্থান সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক জোরালো বার্তা দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইতিহাসের বিভিন্ন সংকটময় সময়েও দেশের প্রগতিশীল লেখক ও বুদ্ধিজীবীরা সেন্সরশিপ বা মতপ্রকাশের ওপর আঘাতের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছেন। মোহন রায়হানের এই মন্তব্য সেই দীর্ঘ ঐতিহ্যেরই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। লেখার মাধ্যমে সামাজিক অসঙ্গতি, অনিয়ম ও মানুষের মৌলিক অধিকারের কথা তুলে ধরা লেখকদের নৈতিক দায়িত্ব—এই বিশ্বাস থেকেই তিনি তার সৃষ্টিশীল পথচলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।
সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সচেতন মহল মনে করছে, স্বাধীন মতপ্রকাশের পরিসর সঙ্কুচিত হওয়ার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে লেখকদের এমন আপসহীন মানসিকতা অত্যন্ত জরুরি। মোহন রায়হানের এই সাহসী উচ্চারণ কেবল তার ব্যক্তিগত অঙ্গীকার নয়, বরং সামগ্রিক সাহিত্য অঙ্গনের বাক্স্বাধীনতা রক্ষার লড়াইয়ে একটি উদ্দীপনামূলক বার্তা হিসেবে কাজ করবে। ভবিষ্যতে তার এই অবস্থান সাহিত্যপ্রেমী ও মুক্তচিন্তার মানুষদের আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শেষ বার্তা সময়ের শেষ বার্তা
