আগামী ১৩ আগস্ট থেকে অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে শুরু হতে যাওয়া ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজকে সামনে রেখে ১৫ সদস্যের শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই সফরে টাইগারদের স্কোয়াডে এসেছে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। বিশেষ করে ইনজুরির কারণে নিয়মিত উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন দাসের অনুপস্থিতিতে দলে ডাক পেয়েছেন জাকের আলী অনিক। ঘরোয়া ক্রিকেটে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং সাম্প্রতিক জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের জার্সিতে তাঁর ধারাবাহিক রান পাওয়া এই প্রত্যাবর্তনের পথ সুগম করেছে। জিম্বাবুয়ে সফরে তিন ইনিংসে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে প্রতিটিতেই ফিফটির দেখা পান এই উইকেটকিপার ব্যাটার। সবশেষ গত নভেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে মাঠে নামা জাকের দীর্ঘ প্রায় এক বছর পর টেস্ট দলে নিজের জায়গা পুনরুদ্ধার করলেন।
এদিকে স্কোয়াডে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর টেস্ট দলে ফিরেছেন মারকুটে টপ-অর্ডার ব্যাটার সৌম্য সরকার। ঘরোয়া ও সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তাঁর অভিজ্ঞতা এবং সাম্প্রতিক ফর্ম জাতীয় দলের নির্বাচকদের আস্থা অর্জন করতে সাহায্য করেছে। পাশাপাশি, বোলিং আক্রমণে বৈচিত্র্য আনতে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তরুণ পেসার মুশফিক হাসানকে। এর আগে ২০২৩ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট স্কোয়াডে ডাক পেলেও অভিষেক হয়নি এই সম্ভাবনাময় পেসারের। তবে বড় ধাক্কা হিসেবে এই সিরিজে পাওয়া যাচ্ছে না তরুণ গতি তারকা নাহিদ রানাকে, যিনি ইনজুরির কারণে ইতোমধ্যে ছিটকে গেছেন।
ঘোষিত এই দলে নেতৃত্ব দেবেন টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এছাড়া সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করবেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। স্কোয়াডে ব্যাটিং লাইনআপকে মজবুত করতে সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম এবং অমিত হাসানের ওপর আস্থা রাখা হয়েছে। বোলিং বিভাগে তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ, খালেদ আহমেদ ও ইবাদত হোসেনের সঙ্গে স্পিন আক্রমণে থাকছেন অভিজ্ঞ তাইজুল ইসলাম। অপরদিকে, সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের ঘাটতি ও কৌশলগত কারণে দল থেকে বাদ পড়েছেন মাহিদুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান জয়, তাওহিদ হৃদয়, নাঈম হাসান ও রবিউল হক। কন্ডিশন ও অস্ট্রেলিয়ার পেসহায়ক পিচের কথা মাথায় রেখে টিম ম্যানেজমেন্ট এই ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড সাজিয়েছে বলে জানা গেছে।
শেষ বার্তা সময়ের শেষ বার্তা
