Sunday , July 26 2026
Breaking News
পদত্যাগের পর পরিবারসহ বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

পদত্যাগের পর পরিবারসহ বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

পদত্যাগের একদিন পর সরকারি বাসভবন বঙ্গভবন ছেড়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আজ রোববার দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে সপরিবারে তিনি বঙ্গভবন থেকে বের হয়ে যান। রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্তত ১৮টি গাড়ির সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ বহর নিয়ে তিনি রাজধানীর গুলশানের নিজস্ব বাসভবনের উদ্দেশ্যে রওনা হন। দুপুর থেকেই বঙ্গভবনের সামনের সড়কে কৌতূহলী জনতার সমাগম ঘটে এবং সংবাদ সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা অবস্থান নেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে বঙ্গভবন এলাকায় পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল।

সাবেক রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা ও দাপ্তরিক কাজ পরিচালনার দায়িত্ব পাচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তবে তিনি সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে না উঠে জাতীয় সংসদের স্পিকারের নির্ধারিত সরকারি বাসভবনেই অবস্থান করে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করবেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার বিকেলে স্পিকারের কাছে নিজের স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র পাঠান মো. সাহাবুদ্দিন। জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগপত্র প্রাপ্তির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার হিসেবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টিও ঘোষণা করা হয়। মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার পৌনে দুই বছর আগেই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এই পদে নির্বাচিত হন। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কার্যকাল পাঁচ বছর হওয়ায় তাঁর মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বিস্তৃত থাকার কথা ছিল। তবে প্রায় ২১ মাস বাকি থাকতেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করে বঙ্গভবন ছাড়লেন।

অন্যদিকে সাবেক রাষ্ট্রপতির প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর গুলশানের ১২৩ নম্বর সড়কে অবস্থিত তাঁর ব্যক্তিগত বাসভবনে গত কয়েক দিন ধরে ব্যাপক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পূর্বে তিনি এই ভবনের পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে ভবনের নিচতলার অভ্যর্থনা ও বসার কক্ষ নতুন করে রং করার পাশাপাশি আসবাবপত্র সুসজ্জিত করা হয়। একই সাথে গুলশানের বাসভবনের নিরাপত্তায় র্যাব ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করে বিশেষ নিরাপত্তাবেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে। আইনানুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে সরকার কোনো প্রকার তাড়াহুড়ো না করে পর্যবেক্ষণ নীতি বজায় রাখছে।

এছাড়াও

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা বাদ দিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন অসম্ভব: মহাখালীতে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা বাদ দিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন অসম্ভব: মহাখালীতে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল চেতনাকে অস্বীকার করে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সার্বিক অগ্রগতি কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *