Sunday , June 28 2026
Breaking News
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: ‘সেরা’র আক্ষেপ নিয়ে হার দিয়ে শেষ হলো বাংলাদেশের মেয়েদের মিশন

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: ‘সেরা’র আক্ষেপ নিয়ে হার দিয়ে শেষ হলো বাংলাদেশের মেয়েদের মিশন

**মূল ঘটনা:** নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা টুর্নামেন্ট কাটানোর পরও শেষটা জয় দিয়ে রাঙাতে পারল না বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ মিশন শেষ করল টাইগ্রেসরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত এই আসরে প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ের পর টানা তিন ম্যাচে পরাজয় বরণ করতে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দলকে।

**ম্যাচের বিবরণ:** দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। তবে শুরু থেকেই প্রোটিয়া বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতে পারেনি টাইগ্রেস ব্যাটাররা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০৬ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন সোবহানা মোস্তারি। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা নারী দল মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ১৭.২ ওভারেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়, যার ফলে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারতে হয় বাংলাদেশকে।

**পটভূমি ও অর্জন:** এবারের বিশ্বকাপটি বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। দীর্ঘ ১০ বছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচ জয়ের স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে খরা কাটায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এর আগে ২০১৪ সালের পর বিশ্বকাপে আর কোনো জয় ছিল না বাংলাদেশের মেয়েদের। সেই দিক থেকে বিচার করলে, এবারের আসরটিকে দলের জন্য অন্যতম ‘সেরা’ হিসেবে বিবেচনা করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।

**ব্যর্থতার কারণ:** স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের পর ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশা অনেক বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী ম্যাচগুলোতে ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে আর কোনো জয় তুলে নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনাপের দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পাওয়ার প্লে-তে রান তুলতে না পারা এবং নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোই ছিল মূল ব্যর্থতা।

**ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:** বিশ্বকাপ মিশন শেষ হলেও এই টুর্নামেন্ট থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা ভবিষ্যতে নারী ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে বলে মনে করেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। বড় দলগুলোর বিপক্ষে লড়াই করার মানসিকতা তৈরি এবং ব্যাটিং শক্তির উন্নতি করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ক্রিকেট বোর্ডের উচিত নারী ক্রিকেটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ঘরোয়া ক্রিকেটের মান বাড়িয়ে মেয়েদের আরও আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটার হিসেবে গড়ে তোলা।

এছাড়াও

খেলাধুলার মাধ্যমে গুণগত রাজনৈতিক পরিবর্তনের ঘোষণা আমিনুল হকের

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *