আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস ২০২৪ উপলক্ষে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই) খাতে অসামান্য অবদান রাখা ১৬ জন নারী উদ্যোক্তাকে সম্মাননা প্রদান করেছে ঢাকা ব্যাংক পিএলসি। রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘স্মল এন্টারপ্রাইজ খাতে পুনঃ অর্থায়ন স্কিম’-এর আওতায় নেওয়া ঋণ নিয়মিত পরিশোধের মাধ্যমে আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখায় এই উদ্যোক্তাদের বিশেষ প্রণোদনা ও সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ব্যাংক প্রাঙ্গণে একটি এমএসএমই পণ্য প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এই প্রদর্শনীতে ঢাকা ব্যাংকের ঋণসহায়তা নিয়ে স্বাবলম্বী হওয়া পাঁচজন নারী উদ্যোক্তা তাদের উৎপাদিত পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন। দেশীয় পণ্য উৎপাদন ও বিপণনে তাদের এই উদ্যোগ স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই প্রদর্শনীটি কেবল পণ্য বিক্রির মাধ্যম নয়, বরং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য একটি অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করেছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. মোস্তাক আহমেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওসমান এরশাদ ফয়েজ। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক হাফিয়া তাজরীন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্যোক্তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) এ কে এম শাহনেওয়াজ, এমএসএমই ও ইমার্জিং বিজনেস বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন শাখা ব্যবস্থাপকবৃন্দ।
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের লক্ষ্য হলো দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে শক্তিশালী করা। এই প্রেক্ষিতে ঢাকা ব্যাংকের এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। ব্যাংকটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, নারী উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান এবং তাদের ব্যবসায়িক দক্ষতা বৃদ্ধিতে ঢাকা ব্যাংক ভবিষ্যতে আরও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। মূলত এমএসএমই খাতের উন্নয়নই দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি। সম্মাননাপ্রাপ্ত নারী উদ্যোক্তারা জানান, এই স্বীকৃতি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতে উৎসাহিত করবে।
শেষ বার্তা সময়ের শেষ বার্তা
