একটি সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশের তরুণ প্রজন্মের মেধা ও প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মীর হেলাল। তিনি মনে করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্বে দেশ যে পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, সেখানে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ অর্জনই হবে উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি।
মীর হেলাল বলেন, দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী শাসন ও অব্যবস্থাপনার জঞ্জাল কাটিয়ে বাংলাদেশ এখন নতুন করে পথচলা শুরু করেছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাকে সফল করতে তরুণদের সৃজনশীল চিন্তা ও উদ্ভাবনী শক্তির কোনো বিকল্প নেই। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বের উন্নত দেশগুলো আজ প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করেছে। বাংলাদেশকেও সেই পথে এগোতে হবে এবং এর জন্য প্রয়োজন তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা।
তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল অটোমেশন কেবল সরকারি সেবার মান উন্নয়ন করবে না, বরং দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি কমিয়ে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিটি স্তরে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটাতে পারলে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। মীর হেলাল তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রধান কারিগর। তাদের মেধা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে একটি জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
পরিশেষে, মীর হেলাল দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দেন। তিনি মনে করেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে যদি তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করা যায়, তবেই বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে একটি মর্যাদাশীল ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। তার এই দূরদর্শী ভাবনা বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
শেষ বার্তা সময়ের শেষ বার্তা
