Thursday , April 25 2024
Breaking News

কাচকি মাছ খাওয়ার কিছু অসাধারন উপকার!

শেষবার্তা ডেস্ক : বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ, তাই আমাদের আমিষের অন্যতম প্রধান উৎস মাছ। এজন্যই আমাদের বলা হয় – মাছে ভাতে বাঙালি। পুষ্টিগুণ বিবেচনায় বড় ও ছোট মাছের রয়েছে আলাদা গুরুত্ব। ছোট মাছের মধ্যে খুব পরিচিত একটি নাম কাচকি। দাম ও পরিমাণ বিবেচনায়, ছোট মাছ কেনার তালিকায় ভোক্তাদের পছন্দের এই নদীর মাছটি। যদিও অনেকেই ছোট মাছ খেতে পছন্দ করেন না। আবার অনেকের জানাও নেই এই কাচকি মাছের গুণাগুণ সম্পর্কে। তবে তা জানা থাকলে, এই মাছ খাওয়ার আগ্রহ বেড়ে যেতে পারে কয়েক গুন। পুষ্টিগুণ বিবেচনায়, ছোট মাছের তালিকার একেবারে প্রথম দিকেই আছে কাচকি মাছ।

আকারে খুব ছোট হওয়ায় কাচকি মাছ কাটার তেমন কোনও ঝামেলা নেই। তবে এটিকে অনেকে বিড়ম্বনাও ভাবেন। একবার কেটে-বেছে নিতে পারলে খুব বেশি সমস্যা হয় না। এই মাছ রান্না করার পদ্ধতিও বেশ সহজ। প্রতি ১০০ গ্রাম কাচকি মাছে ১২.৭ গ্রাম প্রোটিন থাকে। চর্বি থাকে ৩.৬ গ্রাম। আর ৪৭৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৮ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে। এই মাছ খেলে শরীরে প্রোটিন এবং এনার্জি দুটোই পাওয়া যায়। তাই সব বয়সীদের জন্য কাচকি মাছ অত্যন্ত উপকারী।এই মাছ খাওয়ার সময়ে কাঁটাসহ চিবিয়ে খেলে সবটুকু গুণ শরীরে যায়। কাঁটা বেছে ফেলে দিলে অনেক পুষ্টিগুনই চলে যাবে।

এবার দেখা যাক কাচকি মাছে কী কী গুণ রয়েছে এবং কাদের এই মাছ বেশি খাওয়া উচিত। এই মাছ থেকে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। হাড় মজবুত করতে এই মাছ তাই খুবই কাজে লাগে। কাচকি মাছের চর্বি মানবদেহকে রক্ষা করতে পারে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগসহ বিভিন্ন জটিল এবং ঝুঁকিপূর্ণ রোগ থেকে। কাজেই কাচকি মাছ নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত।

এই মাছ শিশুদের জন্য খুবই কার্যকরী। বিশেষজ্ঞরা বলেন, শিশুদের জন্য প্রোটিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-৩ এবং ভিটামিন ডি যুক্ত কাচকি মাছ খুবই উপকারী। কাচকি মাছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ থাকে যা রাতকানা ও দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়ার মতো সমস্যার সঙ্গে মোকাবিলা করতে সাহায্য করে

এছাড়াও

শিশুর সর্দিতে নাকেট ড্রপ বা স্প্রে কি শিশুর জন্য উপকারী?

শেষবার্তা ডেস্ক: শিশুদের ঠান্ডা লাগার সমস্যা দেখা দেয় শীতের শুরুতে কিংবা মৌসুম পরিবর্তনের সময়। এসময় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *