বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিসংবাদিত নেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধের সফল সংগঠক এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের জন্মবার্ষিকী আজ যথাযথ শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সাথে স্মরণ করা হচ্ছে। বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রাম ও স্বাধিকার আন্দোলনে তাঁর অসামান্য অবদান ও আপসহীন নেতৃত্ব দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। ১৯২৫ সালের এই দিনে গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার দরজ মির্জাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এই দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা তাজউদ্দীন আহমদ পরবর্তীতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলন এবং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি যে দৃঢ়তা, প্রজ্ঞা ও সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন, তা বাংলাদেশের বিজয়ের পথকে ত্বরান্বিত করেছিল। অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের মূর্ত প্রতীক হিসেবে পরিচিত এই নেতা সবসময় ব্যক্তিগত সুবিধার চেয়ে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনেও তিনি অর্থমন্ত্রী হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর এই বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন এবং আদর্শ বর্তমান প্রজন্মের রাজনীতিবিদের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা। আজকের এই বিশেষ দিনে দেশের বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচির মাধ্যমে এই মহান নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছে। বক্তারা তাঁর জীবনী নিয়ে আলোচনা সভায় তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ট্যাগজন্মদিন তাজউদ্দীন আহমদ প্রথম প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধ
এছাড়াও
সকলের অভিন্ন পরিচয় ‘বাংলাদেশি’: জাতীয় সংহতি ও নাগরিকত্বের মৌল ভিত্তি
বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জন্য ‘বাংলাদেশি’ একটি অভিন্ন ও মৌলিক পরিচয়, যা জাতীয় সংহতি ও রাষ্ট্রের …
শেষ বার্তা সময়ের শেষ বার্তা
