Wednesday , July 8 2026
Breaking News

বুশরার জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত, আদেশ পরে

আদালত প্রতিনিধি :

ফারদিন নূর পরশ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার তার বান্ধবী আমাতুল্লাহ বুশরার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বিষয়ে পরে আদেশ দেওয়া হবে বলে জানান আদালত। বৃহস্পতিবার সপ্তম অতিরিক্ত ঢাকা মহানগর দায়রা জজ তেহসিন ইফতেখারের আদালতে তার জামিন আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

বুশরার আইনজীবী এ কে এম হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বুশরার জামিনের জন্য গত ৩০ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করেছিলাম। আদালত আবেদন গ্রহণ করে শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন। এর আগে ফারদিনকে খুন করা হয়েছে দাবি করে বুশরাসহ অজ্ঞাতনামাদের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন ফারদিনের বাবা।

এরপর গত ১০ নভেম্বর সকালে রাজধানীর রামপুরার নিজ বাসা থেকে বুশরাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত ৪ নভেম্বর রাজধানীর ডেমরা থেকে নিখোঁজ হন বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন। ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সদরের সিদ্ধিরগঞ্জ বনানী ঘাট এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ফারদিনের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

রামপুরা থানায় দায়ের করা মামলায় ‘হত্যা করে লাশ গুম’করার অভিযোগ আনেন ফারদিনের বাবা নূর উদ্দিন। সেই মামলায় এক নম্বর আসামি করা হয় বান্ধবী আমাতুল্লাহ বুশরাকে। মরদেহ ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকরা জানান, তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, তাকে হত্যা করা হয়েছে।

মামলার তদন্তভার ডিবি পুলিশের ওপর ন্যস্ত করা হয়। এরপর মাদক সংশ্লিষ্টতা, মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে খুন, কিশোর গ্যাংয়ের সংশ্লিষ্টতার বিষয় সামনে আসে। সর্বশেষ তদন্ত সংশ্লিষ্ট ডিবি পুলিশ ও র‌্যাব তদন্ত অগ্রগতি নিয়ে এক ধরনের ‘সমঝোতা’য় পৌঁছে জানায়, স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ বা আত্মহত্যা করেছেন ফারদিন।

গত ১৫ ডিসেম্বর সাংবাদিকদের ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, ফারদিনের মৃত্যুতে তার বান্ধবী বুশরার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। মামলার অভিযোগপত্রে বিষয়টি উল্লেখ করা হবে বলেও জানান তিনি।

এছাড়াও

কাগজে-কলমে মৃত, বাস্তবে জীবিত: ১২ বছর ধরে পরিচয় ফিরে পেতে লড়াই রিকশাচালক বাদশার

কাগজে-কলমে মৃত, বাস্তবে জীবিত: ১২ বছর ধরে পরিচয় ফিরে পেতে লড়াই রিকশাচালক বাদশার

ফরিদপুর পৌরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর সাদীপুর এলাকার বাসিন্দা বাদশা শেখ (৫২) গত এক যুগ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *